স্টাফ রিপোর্টঃ
রাজশাহী দুর্গাপুরে এলজিইডি (LGED) বা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ছোঁয়ায় দূর হয়েছে দীর্ঘ ২৩ বছরের জন দুর্ভোগ। দৃশ্যমান হয়েছে পিচ ঢালা কালো রাস্তা। এলজিইডির রাস্তার গুনগত মান জনমুখে প্রশংসিত ।
২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) প্রয়াত সংসদ সদস্য এ্যাডঃ নাদিম মোস্তফার যাদুকরী ছোঁয়ায় ৫ বছরে পাল্টে যায় দুর্গাপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা। কাঁদা মাটির রাস্তা পরিণত হয় পিচ ঢালা কালো রাস্তায়।
কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০০৮ সালে আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে স্থবির হয়ে যায় সকল উন্নয়ন। থমকে দাঁড়ায় অর্থনীতি,যোগাযোগ,শিক্ষা, কৃষিসহ সকল উন্নয়ন অবকাঠামো।
১০ জুন (বুধবার) সরেজমিনে জানা যায়, দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজের জন্মস্থান জয়নগর ইউনিয়ন আসেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দৈনিক বিজয়২৪- এর সম্পাদক ও প্রকাশক, আলামিন হক বিজয়। যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা দেখে ২৯ জুন ২০২৫ তারিখে লিখিত আবেদন দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন বরাবর। যেখানে উল্লেখ ছিল ৩ টি রাস্তা। আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা মাসুক-ই-মোহাম্মদ ৩ রাস্তা পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দাওকান্দি বাজার হতে হাটকানপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ১০ কিঃমিঃ রাস্তার জন্য সুপারিশ করেন রাজশাহী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জহুরুল ইসলাম বরাবর। তিনি নিয়ম মাফিক ভাবে সব কিছু যাচাই-বাছাই করে রাস্তার অনুমোদন দেন যা আজ দৃশ্য মান।
এলজিইডির অফিস সূত্রে জানা যায়, এলজিইডি রাজশাহী মেন্টেনেন্স প্রকল্পের আওতায় দাওকান্দি টু হাটকানপাড়া দুই অংশে বিভক্ত দাওকান্দি টু নোনামাটিয়াল ২৩৯০ মিটার রাস্তার বরাদ্ধ ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা (প্রায়) লটারিতে কাজ পায় মেসার্স আরশি ট্রেডার্স,সারদা, চারঘাট। পরবর্তীতে তারা কাজ হস্তান্তর করে হৃদয় এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোঃ মাহাবুর রহমান এবং মোঃ আওয়াল হোসেনকে।
রাস্তা প্রসঙ্গে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘ দিন এই রাস্তা নিয়ে আমরা ভোগান্তিতে ছিলাম। সাংবাদিক বিজয় ভাইয়ের জন্য এত অল্প সময়ে এত সুন্দর মান সম্মত রাস্তা পেয়েছি। কাজের গুনগত মান নিয়ে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, কাজ দেখে মনে হচ্ছে সৎ কর্মকর্তা ও সৎ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এখনো আছে দেশে।
সাংবাদিক বিজয় বলেন, আমি দীর্ঘ দিন এলাকায় ছিলাম না। জনগণের চলাচলের দুর্ভোগ দেখে জনগণের কল্যাণে কাজ করছি। এলাকার বিভিন্ন রাস্তা সংস্কার সহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ করছি। আমাকে সহযোগিতা করছেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার ভূমি, উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা,জেলা প্রশাসক এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয়গণ আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, উদ্দেশ্যে সৎ, মহৎ ও জনকল্যাণ মূখী হলে সৎ এবং ভাল মানুষদের পাশে পাওয়া যায়। আমি জনগণের পাশে থেকে জনকল্যাণে কাজ করতে চাই।

