ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্নীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. ক্যাম্পাস
  8. খুলনা
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. চট্রগ্রাম
  12. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  13. জনপ্রিয় সংবাদ
  14. জাতীয়
  15. ঢাকা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নৌকার বৈঠা টানা সেই প্রধান শিক্ষক হাফিজের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিযোগ

দৈনিক বিজয় ২৪
September 12, 2026 10:08 am
Link Copied!

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ 

রাজশাহী দুর্গাপুরের দাওকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, লুটপাট, চাঁদাবাজিসহ নৌকার পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে ইতিপূর্বে একাধিকবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। কতৃপক্ষ দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, একজন শিক্ষক হিসেবে পেশাদারিত্বের বাহিরে গিয়ে হাফিজ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে ২০০৮ সালে আ’লীগ ক্ষমতায় আসলে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রয়াত মজিদ সরদারের ক্যাডার বাহিনীর প্রধান হিসেবে এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর অমানবিক নির্যাতন, বসতবাড়ি ভাংচুর, লুটপাট ও ভূমি দখলসহ লক্ষ-লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করার মত গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। যার ফলশ্রুতিতে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পাই হাফিজ। নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে ধংসের দিকে ঠেলে দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

স্কুল সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের পূর্বে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ছিল ১২০০+ এবং ফলাফলের দিক দিয়ে ছিল ২য় অবস্থানে। বর্তমান শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪০০+। সর্বশেষ এই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৭ পরিক্ষার্থী, পাশ করে ৩২ জন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলা জুড়ে ৩৭ টি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে যার মধ্যে ২৯ নাম্বার অবস্থানে দাওকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে প্রতিটি নির্বাচনী প্রচারণায় নৌকার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে হাফিজ। ১৯৯৯ সালে আ’লীগ সরকারের সময় সহকারী পদে নিয়োগ পাই। ২০০৮ সালে আ’লীগ ক্ষমতায় আসলে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালাই এই হাফিজ। এতেই পদোন্নতি পেয়ে হয়ে যায় প্রধান শিক্ষক। তার স্বেচ্ছাচারিতার জন্য আজ এই প্রাণের প্রতিষ্ঠান ধংসের কবলে। সর্বশেষ তিনি উপজেলা আ’লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এতে তার পেশাগত নিরপেক্ষতা ও চাকরির আচরণবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এত শত অপরাধের পরেও হাফিজ কি ভাবে এখনও স্বপদে বহাল তবিয়তে? কে বা কারা দিচ্ছে তাকে প্রশ্রয় এমন নানা প্রশ্নে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক হাফিজের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

dailyalochitosangbad