নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহী তানোর থানা পুলিশ একের পর এক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে সফলতার চমকে চমকিয়ে দিচ্ছে তানোর উপজেলা বাসিকে। সেই সাথে অন্যান্য অপরাধ দমনে আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে অর্জন করেছে উপজেলা বাসির আস্থা। হয়ে উঠেছে উপজেলা বাসির নিরাপদ আশ্রয়স্থল।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহনশীলতা হলো মাদকদ্রব্য উৎপাদন, চোরাচালান, বিপণন ও সেবনের বিরুদ্ধে সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আপসহীন ও কঠোর অবস্থান। এর মূল লক্ষ্য হলো সমাজ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা।
মাদক ব্যবসায়ী, গডফাদার কিংবা তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বর্তমান সরকার। রাজনৈতিক সুপারিশ বা তদবির এখানে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
২১ জুলাই (মঙ্গলবার) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যা ৬.২৫ মিনিটে তানোর থানার এসআই উৎপল কুমার সরকার সঙ্গীয় এসআই মোঃ আবু নাঈম, এসআই জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মোঃ আসাদুজ্জামান, এএসআই মোঃ মতিউর রহমান ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উপজেলার ভাগনা গ্রামের মৃত- নাজিমুদ্দিন খা ছেলে চিহ্নিত মাদক কারবারি আনোয়ার হোসেন (৪৫), কে তার নিজ বাড়ি হতে ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের ১৩,৫০০/-টাকা সহ গ্রেপ্তার করে।
এই বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হয় এস এম মাসুদ পারভেজ, অফিসার ইনচার্জ, তানোর থানা, রাজশাহী। তিনি বলেন, “মাদক কেবল একটি ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি একটি জাতীয় ব্যাধি। একটি পরিবারকে ধ্বংস করতে, একটি মেধাবী প্রাণকে নিমিষেই শেষ করে দিতে একটি মাদকের ছোবলই যথেষ্ট। মাদক আমাদের যুবসমাজকে বিপথগামী করছে, পারিবারিক শান্তি বিনষ্ট করছে এবং সমাজে অপরাধের হার বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটি আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” ঘোষণা করেছেন। আমরা তা বাস্তবায়নে কাজ করছি। আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।”

