নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার ৪নং দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে কুরআনের আলো জ্বালিয়ে উন্নয়নের বিপ্লব ঘটাতে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আলিফ উদ্দিন।
তিনি ১৯৭২ সালে বেড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৪ সালে দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিবাহের নিরাপত্তার দায়িত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে ৩০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে তিনি একজন। ২০১২ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসরে আসেন।
রক্তে যার রাজনীতি, সক্রিয় হন বংশীয় ভালবাসার রাজনৈতিক দল বিএনপির রাজনীতিতে। দলের দুঃসময়ে তিনি দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
তিনি মৎস্য চাষী, কিটনাশক ব্যবসায়ী এবং একজন কৃষক। বৈধ আয়ের সবটাই তিনি জনগণের কল্যাণে ব্যয় করেন বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়। তিনি যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহ করেন, কন্যাদায় গ্রস্থ অসহায় পিতার পাশে দাঁড়ান, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ভাবে অনুদান দেন এবং নানা সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন বলে জানা যায়।
১৯৮০ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দুর্গাপুর উপজেলায় জনসভা করেন। ছাত্রাবস্থায় আলিফ উদ্দিন সেই জনসভায় যোগদেন এবং জিয়াউর রহমানের সেই দিনের বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির প্রতি ভালবাসা বলে দাবি করেন,আলিফ উদ্দিন।
আগামী স্থানীয় নির্বাচনে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন ভাবে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন তিনি। নানা সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে জনগণের মধ্যে সাড়া জাগিয়ে আস্থা ও ভালবাসা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলিফ হাজি আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।
কথা হয় আলহাজ্ব মোঃ আলিফ উদ্দিনের সাথে। তিনি বলেন, আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতি করি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। দল আমাকে সমর্থন দিলে আমি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে না। আমাকে সমর্থন না দিয়ে আমার থেকে যোগ্য কাউকে দিলে তার হয়ে কাজ করবো। জনাব তারেক রহমান বলেছেন,” করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।” আমি হাজী মানুষ দলীয় সমর্থন পেলে এবং নির্ধারিত হলে, ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে কুরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে কুরআন দেওয়া হবে, সকল ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে।”
ধর্মীয় শিক্ষা এবং সু-শিক্ষায় শিক্ষিত জাতি পারে সমাজের সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এটাই তাঁর বিশ্বাস। রাস্তাঘাট, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, মাদকমুক্ত আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
উপজেলার একাধিক দায়িত্বশীল বিএনপির নেতা বলেন, “আলিফ হাজি ভাল মানুষ, দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ। তিনি দীর্ঘ দিন দলের আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে থেকে আমাদের সাথে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমরা চাইবো দলের নীতিনির্ধারকরা আলিফ হাজি কে মূল্যায়ন করবেন।”

