নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার ৭নং জয়নগর ইউনিয়নের আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয় জনমনে ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছেন আলামিন হক বিজয়।
তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের ভালোবাসা, সমর্থন ও সার্বিক দোয়া নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন এলাকার উন্নয়নে।
নির্বাচনী ইশতেহারে আলামিন হক বিজয় জয়নগর ইউনিয়নকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত ও সমৃদ্ধশালী আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি জানান, “নির্বাচিত হলে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের “জিরো টলারেন্স” নীতি বাস্তবায়নে ইউনিয়নবাসীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবো। যুবসমাজকে মাদকের ধ্বংসাত্মক ছোবল থেকে রক্ষা করে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার লক্ষ্যে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবো। শুধু আইন তৈরি ও আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। সামাজিক আন্দোলন ও সামাজিক সচেতনতাই পারে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে, বলে তিনি মন্তব্য করেন।”
যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে এই ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জানান, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে ২০০৩ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য এ্যাড. নাদিম মোস্তফা (প্রয়াত) তাঁর হাতে সকল রাস্তা পাকা করণ হয়েছিল। পরবর্তীতে এই রাস্তা গুলো আর সংস্কার হয়নি। ইতি মধ্যে আমি দাওকান্দি হইতে হাটকানপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কালে বিভিন্ন অফিসে যোগাযোগ করে এনেছি যা আজ দৃশ্য মান। এলাকার অনেক রাস্তা সংস্কার করে জনগণের পাশাপাশি যান চলাচলের অনুপযোগী করেছি। এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও জীর্ণ-শীর্ণ রাস্তাঘাট দ্রুত সংস্কার করে টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এর পাশাপাশি নারী শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং সমাজের অবহেলিত, দরিদ্র ও মেহনতি মানুষের পাশে থেকে সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতে তিনি সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন বলে অঙ্গীকার করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, “চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ের পিতা হাজী মোঃ শামসুল হক বিএনপির একজন নির্বাচিত ত্যাগী নেতা। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন দীর্ঘ দিন। বিজয় ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা শিক্ষিত, সৎ, সাহসী, জনদরদী এক নেতা। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান। বিএনপির রাজনীতি করায় তাঁর পরিবার ও তার উপরে অনেক নির্যাতন করা হয়েছে যা আমাদের নিজেদের চোখে দেখা। ইউনিয়নের অনেক নেতা আ’লীগের সাথে আততায়ীতা করলেও বিজয় ও তার পরিবার তা করেনি। সেই কারণে বিজয়কে বিগত ১৭ বছর নিজ এলাকায় ঢুকতে দেয়নি মজিদ (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান) এবং উপজেলা আ’লীগ নেতা হাফিজ। সরকার পতনের পর ৬ আগষ্ট এলাকায় এসেই পিতার মতই জনগণ ও এলাকার উন্নয়নে কাজ শুরু করেছেন। আমরা বিজয় ভাইকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চাই।”

