মহিবউল্লাহ কিরন,বরগুনা
বরগুনার আমতলীতে স্বামীর পরকিয়ার জেরে স্ত্রীর আত্নহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার ১১জানুয়ারি আমতলী পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ঘটিকায় রেজিস্ট্রি অফিস সড়কের হানিফ কটেজ এর ৩ তলা থেকে আমতলী থানা পুলিশ দরজা ভেঙে ফ্যানে ওরনা দিয়ে ফাঁসরত ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে।
থানা ও পারিবারিক সুত্রে যানা যায়,২০১৫ সালে উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চিলা গ্রামের মৃত্যু জলিল গাজীর মেয়ে তানজিলা আক্তার এ্যানিকে(৩০) একই উপজেলার ছুরিকাটা গ্রামের সোবাহান মৃধার ছেলে সুজন মৃধা(৪৫) এর সাথে বিয়ে হয়।তারা হানিফ কটেজ এর ৩ তলায় ভাড়া থাকতেন।সুখে সংসারে দিন কাটছিলো।তাদের সংসারে ১টি ছেলে(৬) ও ১টি মেয়ে(৩) আছে।গত ১বছর ধরে নীলগঞ্জ গ্রামের ছাবিনা নামে এক মেয়ের সাথে পরকিয়ার জড়িয়ে পড়ে সুজন মৃধা।এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর ভীতরে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো।ঘটনার আগের দিন শনিবার সকালে স্ত্রী এ্যানি নতুন বাজার বাধঘাট মায়ের বাসায় বেড়াতে যায়।ওই রাতেই এ্যানি বাসায় এসে সুজন মৃধা ও ছাবিনার পরকিয়া হাতেনাতে ধরে ফেলে।এ নিয়ে রাতে স্বামী-স্ত্রীর ভীতরে দ্বন্ধ হয়।শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্নহত্যার পথ বেছে নেয় এ্যানি।কিন্তু এ্যানির মা রিনা বেগম অভিযোগ করেন সুজন আমার মেয়েকে রবিবার দুপুরে এ্যানিকে মারধর করেছ মেরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।এ্যানির খালা ফরিদা বেগম বলেন ওর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
উক্ত ঘটনায় স্বামী সুজন মৃধা থানা পুলিশের হেফাজতে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।
আমতলী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য নিহতের স্বামী সুজন মৃধাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

