স্টাফ রিপোর্টারঃ
রাজশাহী -৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মোঃ নজরুল ইসলাম দুর্গাপুর জয়নগর ইউনিয়নের ৭১ এর গণ কবর সহ ১৯ টি গ্রামের ৩২ জন নেতাকর্মী যারা মৃত্যু বরণ করেছেন তাদের কবর জিয়ারত করেন এবং অসুস্থ ও প্রবিণ নেতা কর্মীদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।
৮ই জানুয়ারি(বৃহস্পতিবার) সকাল ১০.০০ মিনিট ক্ষীদ্রকলসি গ্রামের মৃত ইয়াদ আলী (সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক) এর কবর জিয়ারত দিয়ে এই মহৎ কার্যক্রম শুরু করে বিকেল ৪.৩০ মিনিটে শেষ করেন। এই সময় তাঁর সাথে শত-শত বিএনপি নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে বিকেল ৫.০০ মিনিটে হাট কানপাড়া বাজারে জোবেদা ডিগ্রি কলেজ মাঠে দেশের ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপার্সন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন, সাইদুর রহমান মুন্টু, ২ বারের সাবেক মেয়র, দুর্গাপুর পৌরসভা, সদস্য জেলা বিএনপি, রাজশাহী। উপজেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য জার্জিশ হোসেন সোহেল( জনতার মেয়র), যুবনেতা শফিকুল ইসলাম আজম, জেলা যুবদলের সদস্য শহীদ আলি, দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সভাপতি মাইনুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বাবলু মাষ্টার, সুমন, আলামিন হক বিজয়, আফাজ আলী, ইসাহাক আলি, যুবনেতা মাহামুদ, যুবনেতা মাহাবুব, যুবনেতা জীবন, জাহাঙ্গীর সহ জেলা,উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নজরুল ইসলাম বেগম খালেদা জিয়ার কর্ম ও জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। দেশমাতৃকতায় আপোষহীনতা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দেশোপযোগী বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব ও দৃঢ় স্বাধীনচেতা মনোভাবময় সংগ্রামী জীবনী বিশদ আলোচনা করেন। তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, দৃঢ়তা, আত্মমর্যাদা ও ত্যাগ আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকার পাশাপাশি জাতির ইতিহাসে সম্মানের সাথে উচ্চারিত হবে। নিজ নির্বাচনী এলাকা ও দেশের মানুষের কাছে বেগম খালেদা জিয়ার ও জিয়া পরিবারের জন্য দোয়া চান নজরুল।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। পরেরদিন রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নামাজের জানাযা শেষে জিয়া উদ্যানে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের পাশে সমাহিত করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিলেন । বিএনপি দলীয় ভাবে ৭ দিনের শোক পালন করে।

