বিশেষ প্রতিবেদনঃ
২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের কথা মনে আসলেই আজও নিজের অজান্তেই চোখ বেয়ে বেরিয়ে পড়ে বুক ফাটা আর্তনাদের সেই অশ্রু। মনে পড়ে যায় শহীদ আবু সাঈদ,শহীদ মুগ্ধ সহ অনেকে শহীদের নাম। সর্বশেষ ৫ই আগষ্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনের তোপের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী খুনি হাসিনা। নতুন ভাবে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ,স্বাধীনতা পায় সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা পায় এদেশের আপামর জনতা।
এক বুক কষ্ট নিয়ে বলতে হয় আমরা কি সেই সকল শহীদদের আত্মার শান্তি দিতে পেরেছি?
রাজশাহীতে ছাত্রজনতার আন্দোলনে যে সকল আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্রজনতার উপর হামলা করেছিল তাদেরকে কি আইনের আওতায় আনা হয়েছে? কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে? এমন হাজারো প্রশ্নের জবাব কে বা কারা দিবেন??
রাজশাহীতে ছাত্রজনতার উপর হামলা কারিদের মধ্যে অন্যতম সন্ত্রাসী রাজশাহী কর্নাহার থানার দেবের পাড়া গ্রামের মোঃ মাসুম আল রশিদ,সাংগঠনিক সম্পাদক,রাজশাহী জেলা যুবলীগ, সমন্বয়ক পবা ও মোহনপুর উপজেলা যুবলীগ(আন্দোলন কালিন),সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, রাজশাহী জেলা ইউনিট,পিতা-মৃত হারুনুর রশিদ,সাবেক চেয়ারম্যান,২ নং হুজুরিপাড়া ইউনিয়ন,পবা। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
বর্তমানে মাসুম আল রশিদ উপ-পরিচালক অডিট, রাবিতে কর্মরত (৫ আগস্ট এর পরে দপ্তর পরিবর্তন হতে পারে) সাবেক সিটি মেয়র এইচ এম খারুজ্জামান লিটনের বিশেষ সুপারিশে চাকুরী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি সূত্রে জানা যায়, মাসুম আল রশীদ ছোট বেলা থেকেই উগ্রবাদী। তার নিজের তৈরি সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি,মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতো। তার পিতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতো না। পবা উপজেলার সকল অপকর্মের মাষ্টার মাইন্ড এই মাসুম। সর্বশেষ ৪ জুলাই রাসিক মেয়র লিটনের সাথে গোপন বৈঠক করে ৫ জুলাই ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ছাত্রজনতার উপর দফায় দফায় হামলা চালিয়ে অনেক ছাত্র ও সাধারণ মানুষকে আহত করে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে মাসুম আল রশীদের বিরুদ্ধে।
সাধারণ জনগণের প্রশ্ন,এতো অপকর্ম করেও এই সন্ত্রাসী মাসুম কিভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এবং এখনো কি করে স্বপদে বহাল তবিয়তে আছে? এমন প্রশ্ন জন মনে।
এই নিয়ে কথা বলার জন্য মোঃ মাসুম আল রশীদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সাধারণ জনগণের দাবি অনতিবিলম্বে এই সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

