ঢাকাFriday , 10 April 2026
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. ক্যাম্পাস
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্রগ্রাম
  11. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  12. জনপ্রিয় সংবাদ
  13. জাতীয়
  14. ঢাকা
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজশাহীতে জমি-জমার জেরে পুত্রের হাতে ৯৫ বছরের পিতাসহ আহত ৯

Link Copied!

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ 

রাজশাহী দুর্গাপুর নওপাড়া ইউনিয়নের পুরান তাহেরপুর গ্রামে জমি-জমার জেরে নিজ পুত্রের হাতে পিতা সহ ৯ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

২৮ মার্চ (শনিবার) পিতার সম্পত্তির বন্টনে পূর্ব শত্রুতার জেরে আলহাজ্ব আয়েন উদ্দিন মোল্লার বড় ছেলে আবুল কালাম আজাদ ও তার সমর্থকরা পিতা আয়েন উদ্দিন(৯৫) সহ ২ ভাই হায়দার ও ফারুক,৩ বোন মাসুরা,বুলুয়ারা ও মেমজান,ছোট ভাই ফারুকের স্ত্রী সুলেখা,ভাগ্নি জামাই মোস্তাক ও ভাগিনা মহনকে মেরে রক্তাক্ত করে বলে অভিযোগ করেন আহত হায়দার আলী মোল্লা।

৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সরেজমিনে দেখা যায়, আবুল কালাম আজাদ তার পিতার নিকট হইতে জমি লিজ নেন। কালাম আ’লীগের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি জোরে করে ভোগ দখল করে আসছিলেন। ৫ আগষ্ট আ’লীগ সরকার পতনের পর তার বৃদ্ধ পিতা লিজের টাকা চাইলে শুরু হয় নানা বিপত্তি ।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গত ২৮ মার্চ আয়েন হাজির বড় ছেলে কালামের হুকুমে কালামের ছেলে হ্যাপি সহ মাবুদ,রউফ,ইরান,মিলন,লিটন,মেহেদী,বাবলু,হালিমা,স্বাধীনা আয়েন উদ্দিনের বসত বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের মেরে রক্তাক্ত করে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী নরুল ইসলাম, মিজান ও আব্দুর রাজ্জাক সহ অনেকেই । পরবর্তীতে প্রত্যক্ষদর্শীরা আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।

আহত হায়দার আলী বলেন, কালামের হুকুমে তার ছেলে হ্যাপি আমার মাথায় চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কোপে মারলে আমার মাথায় ১০ টি সেলাই লাগে, কালামের হাসুয়ার কোপে বাম হাতের বৃদ্ধা ও অনামিকা আঙ্গুলের মাঝে কেটে ৮ টি সেলাই লাগে অন্যারা ইট ও বাঁশের লাঠি দ্বারা বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছে। আমি এদের বিচার চাই।

আহত ফারুক বলেন,কালাম আমাদের বড় ভাই সে কলেজ শিক্ষক,তাহেরপুর ডিগ্রি কলেজ। একজন শিক্ষক যদি এমন সন্ত্রাসী কার্মকান্ড করে জাতি কি আশা করবে তার কাছে? আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।

আহত মেমজান ও বুলুআরা বলেন, আমরা মহিলা কোথায় আঘাত করেছে তা দেখানোর জায়গা না। কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেংগে পড়েন। তারা কালাম সহ অন্যান্যদের শান্তি দাবি করেন।

এই বিষয়ে কথা বলার জন্য কালামের মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ব্যস্ত আছি পরে কথা বলছি। পরবর্তীতে তার মোঠো ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি ফোন তুলেন নি।

মুঠোফোন কথা হয় দুর্গাপুর থানার মোঃ রফিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) তিনি বলেন,৮ এপ্রিল থানায় এজাহার হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

dailyalochitosangbad