নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহী জেলার সব থেকে বড় উপজেলা বাগমারা। ১৬টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভা। মোট জনসংখ্যা ৩,৭৩,৯৭০ জন(২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী)। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বাগমারা উপজেলার সহকারী কমিশনার(ভূমি) পদে দায়িত্ব প্রাপ্ত মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) পৃথক ৩টি অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড সহ বিভিন্ন আইনে ৬টি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,বাগমারা উপজেলার মচমইল বাজারে অবস্থিত সোহেল ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি মনিটরিং এর নিমিত্তে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
এসময় ফিলিং স্টেশনে আগত গ্রাহকদের মাঝে ডিজেল, পেট্রোল এবং অকটেন বিক্রি নিশ্চিত করা হয়। এসময় ফিলিং স্টেশন গ্রাহকরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার কারণে ০৪ জনকে অভিযুক্ত করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এ ৪টি মামলা প্রদান করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ৭ হাজার টাকা জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।
অদ্য তারিখে ১২:০০ টা থেকে বিকাল ২:০০ পর্যন্ত উপজেলার সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নে সৈয়দপুর নামক স্থানে অনুমোদন বিহীন পুকুর খনন এর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় ০২ জন দুষ্কৃতকারী ঘটনাস্থলে আটক করে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ঘটনাস্থলে অর্থ আদায় করা হয়। এই সময় পুকুর খনন করার কাজে ব্যবহৃত ১ টি এস এস্কেভেটর (ভেকু) অকেজো করা হয়।
এ ছাড়াও ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকায় স্থানীয় সেবা গ্রহীতার অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে মো: লাল্টু (৪২) নামক এক মাইক্রো ড্রাইভার ২৬ লিটার অকটেন অনুমোদনহীন ভাবে মজুদ করায় বাগমারা থানার পুলিশ আটক করে এবং অভিযুক্ত ব্যাক্তি তার অপরাধ স্বীকারোক্তি করায় তার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযুক্ত ব্যাক্তির স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত মোঃ লাল্টুকে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ২৬ লিটার অকটেন সরকার নির্ধারিত মূল্য উপস্থিত সেবা গ্রহীতার নিকট বিক্রি করা হয়।
অভিযান প্রসঙ্গে সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন,দেশে চলমান জ্বালানি সংকটে অবৈধ মজুদ কারীদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ পুকুর খননের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিসি স্যারের অনুমতি ছাড়া পুরাতন পুকুর সংস্কার এবং ফসলি জমিতে নতুন পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, আমার জানা মতে উপজেলার কোথাও তিনি অনুমতি দেন নাই এবং আমাদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলার কোথাও জেনো অবৈধ ভাবে ফসলি জমিতে পুকুর না হয়।
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭১৭-৯৩৮৪৮৪
০১৯১৩-৭২৭৬৯০
ই-মেইলঃ alaminhaque86@gmail.com