বিশেষ প্রতিনিধি- রাজিবুল ইসলাম রিয়াজঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের বেচুরিয়াগুনি এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আরিফ হোসেন, আঃ বারেক, মো. শুকুর আলী, মো. নূর ইসলামসহ আরো ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে রাজ্জাকের পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে রাজ্জাককে হত্যার চেষ্টাকালে স্থানীয় লোকজন চলে আসায় গুরুতর আহত করে চলে যায় আরিফ গং। আহতদের মধ্যে ২জন নারীও রয়েছেন।
এ ঘটনায় সুজন মিয়া বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, বিবাদীগনদের সাথে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে মো. আব্দুর রাজ্জাক তার পোল্ট্রি ফার্মে খাবার দেওয়ার সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে টেনে হেছড়ে বাড়ী হতে বাহির করে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। মামলার অন্যান্য বিবাদীগন রাজ্জাককে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে। বাদীর বাবাকে মারতে দেখে তার মা মোছা. ছকিনা বেগম, ছোট ভাই সজীব, তার স্ত্রী আকলিমা, বোন রুমা ছুটে গেলে বিবাদীগন তাদেরকেও গুরুতর আহত করে। বিবাদী আরিফ হোসেন তার হাতে থাকা বাগি দা দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ্য করে কোপ দিলে বাদী সরে গেলে উক্ত কোপ ডান পায়ের হাঁটুর নিচে লেগে পায়ের রগ কেটে যায় এবং তার বাবা গুরুতর আহত হোন। পরে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগন বিভিন্ন প্রকার ভয় ভীতি দেখিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় বাদী ও তার পরিবারের লোকজন মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হোন। তবে আহত রাজ্জাকের অবস্থা আশংকা জনক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে মামলা রুজু করার পরপরই দু'জনকে গ্রেপ্তার করেছে মধুপুর থানা পুলিশ। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন আহতদের পরিবার।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আঃ রাজ্জাক জানান, দু'জনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ১৩জন আসামি জামিনে আছেন। তদন্তের কাজ চলমান আছে।
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭১৭-৯৩৮৪৮৪
০১৯১৩-৭২৭৬৯০
ই-মেইলঃ alaminhaque86@gmail.com