
বিশেষ প্রতিবেদকঃ
রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা পালশা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্রী সুব্রত কুমার মণ্ডল । তার নামে প্রতিষ্ঠানের নানা দুর্নীতি ও ছাত্রী শ্লীলতাহানি সহ পাহাড় সমান অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সুব্রত নৌকার বৈঠা ধরে ২০২২ সালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদটি বাগিয়ে নেন। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মজিদ সরদার ও সংসদ সদস্য মুনসুর রহমানকে ১৫ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে। এতেই হয়ে যান তাদের আস্থাভাজন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলেন রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে। প্রতিষ্ঠান হয়ে যায় তার কাছে আলাদিনের চেরাগ। জড়িয়ে পড়েন নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিয়োগ বানিজ্য, স্কুল ভবন সংস্কার ও ছাত্রীদের জন্য নতুন কমন রুম সহ বিভিন্ন সংস্কার মূলক বরাদ্দ থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। তার নামে রয়েছে বিদ্যালয়ের ছাত্রী শ্লীলতাহানির মতো ভয়াবহ অভিযোগ।
উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা যায়, ২টি ভবন সংস্কার বাজেট ১৭ লক্ষ টাকা,ছাত্রীদের এটাস্ট বাথরুম সহ কমনরুম বাজেট ৯.৬০ লক্ষ টাকা এই বরাদ্দের কাজ দৃশ্যমান নয়।
২০১২ সালের নিয়োগ পাওয়া ৩ শিক্ষক ও ১ জন কম্পিউটার অপারেটর জাল সনদে দিব্যি বেতন তুলছেন অথচো নেই তাদের পাঠদান যোগ্যতা। প্রধান শিক্ষক সুব্রত কিছুদিন আগে চেক জালিয়াতি মামলায় জেল হাজতে ছিলেন বলে জানা যায়। সরেজমিনে হাজিরা খাতায় দেখা যায় তিনি অনুপস্থিত।
অফিস সহকারী, মোঃ সোহরাব হোসেন বলেন, সুব্রত স্যার জেলে আছেন ১০ দিন হয়েছে। খুব শীঘ্রই জামিনে মুক্তি পেয়ে অফিস করবেন।
কথা হয় বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ রফিক উদ্দিন এর সাথে তিনি বলেন, আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি এত কিছু আমার জানা নাই। অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দুর্নীতি গ্রস্থ, আ'লীগের দোসর, লম্পট প্রধান শিক্ষক সুব্রত সহ জাল সনদে চাকরি পাওয়া সকল শিক্ষককে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। তাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান রক্ষার্থে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭১৭-৯৩৮৪৮৪
০১৯১৩-৭২৭৬৯০
ই-মেইলঃ alaminhaque86@gmail.com